কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুদ্ধবিমান বানাবে তিন দেশ

১১ ডিসেম্বর, ২০২২ ১৪:৪৯  
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুদ্ধবিমান বানাবে তিন দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে নতুন ধরনের যুদ্ধবিমান তৈরিতে জোট বেঁধেছে যুক্তরাজ্য, ইতালি ও জাপান। দেশগুলো ২০৩০ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে পরবর্তী প্রজন্মের একটি যুদ্ধবিমান তৈরি করবে যেটি টাইফুন জেটের জায়গা নেবে। আশা করা হচ্ছে, টেমপেস্ট জেটটিতে থাকবে সর্বাধুনিক অস্ত্র। প্রয়োজনে চালক ছাড়াও যুদ্ধবিমানটি ওড়ানো যাবে। এ ছাড়া এটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারবে। এটি হবে হবে অত্যন্ত দ্রুতগতির, শত্রু পক্ষের নজর এড়িয়ে চলতে সক্ষম একটি বিমান। ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর ঘাঁটি রয়েল এয়ারফোর্স পরিদর্শন করে শুক্রবার এই এআই যুদ্ধবিমান তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। যুক্তরাজ্যের হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান এবং নিরাপত্তা বন্ধন শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। এই সমঝোতার ফলে ব্রিটেন ও জাপানের বর্তমান দুটি প্রকল্প-ব্রিটেনের টেম্পেস্ট এবং জাপানের এফএক্স একীভূত হবে। এই যুদ্ধবিমান নকশার কাজ করবে ব্রিটেনের বিএই সিস্টেমস পিএলসি, জাপানের মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও ইতালির লিওনার্দো কোম্পানি। ইউরোপীয় ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা এমবিডিএ এ প্রকল্পে যুক্ত হবে। এ ছাড়া মিতসুবিশি ইলেকট্রনিক কর্প, রোলস-রয়েস পিএলসি, আইএইচআই কর্প এবং আভিও অ্যারো যুদ্ধবিমানটির ইঞ্জিন তৈরি করবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে এত বড় সামরিক চুক্তি করল। ব্রিটেনের জন্য এই কর্মসূচি শুধু সামরিক নয়, এর অর্থনৈতিক দিকও। এ নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী সুনাক বলেছেন, বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যে আমরা অন্যতম, যাদের প্রযুক্তিগতভাবে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত যুদ্ধবিমান তৈরির সামর্থ্য রয়েছে। যুদ্ধবিমানটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এতে অত্যাধুনিক সেন্সর যুক্ত করা হবে। চালককে চরম চাপের মধ্যে সাহায্য করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। নতুন যুদ্ধবিমান তৈরির অংশিদারিত্ব দেশগুলোকে নতুন নতুন হুমকি থেকে রক্ষা করবে। এই ধরনের জটিল প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান তৈরি অনেক ব্যয়বহুল। সবচেয়ে ব্যয়বহুল এফ৩৫ যুদ্ধবিমান তৈরির প্রকল্পটি ছিল পেন্টাগনের।